রবিবার, ১১ জানুয়ারী ২০২৬, ০৫:১৮ পূর্বাহ্ন
নিজস্ব প্রতিবেদক:: বাঙালি জাতির সর্বোচ্চ অর্জন মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের সকল শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে এবং তাঁদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে দেশবাসীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বরিশাল মহানগর ছাত্রদলের সহ-সভাপতি মোঃ হুমায়ুন কবির খান ফেরদৌস।
এক শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি বলেন, ১৬ই ডিসেম্বর বাঙালির জাতীয় জীবনের সবচেয়ে গৌরবময় অধ্যায়। শত বছরের শোষণ, বঞ্চনা ও নির্যাতনের বিরুদ্ধে রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের মাধ্যমে অর্জিত এই বিজয় আমাদের আত্মমর্যাদা ও স্বাধীন সত্তার প্রতীক। বিজয়ের এই দিনে তিনি মহান স্বাধীনতার মহান ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানসহ মুক্তিযুদ্ধের সকল বীর শহীদদের বিনম্র শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন এবং তাঁদের রুহের মাগফেরাত কামনা করেন।
ফেরদৌস বলেন, মহান আল্লাহ যেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানসহ স্বাধীনতা যুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারী সকল শহীদকে জান্নাতুল ফেরদৌসের মেহমান হিসেবে কবুল করেন। একই সঙ্গে তিনি দেশ-বিদেশে অবস্থানরত সকল বাংলাদেশীর শান্তি, সমৃদ্ধি, অগ্রগতি ও কল্যাণ কামনা করেন।
তিনি আরও বলেন, বিজয় দিবস কেবল উৎসবের দিন নয়; এটি শহীদদের আত্মত্যাগ স্মরণ, স্বাধীন বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের প্রতি আমাদের দায়িত্ব উপলব্ধি করার দিন।
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের অবদান স্মরণ করে ফেরদৌস বলেন, ১৯৭১ সালের চরম সংকটময় মুহূর্তে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতারকেন্দ্র থেকে তাঁর স্বাধীনতার ঘোষণাই দিশাহারা বাঙালি জাতিকে ঐক্যবদ্ধ সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়তে উদ্বুদ্ধ করেছিল। “আমি মেজর জিয়া বলছি, আমি বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা করছি”—এই দৃপ্ত কণ্ঠস্বরই ছিল মুক্তিযুদ্ধের তুর্যধ্বনি, যা মুক্তিপাগল জনতার মনে নতুন সাহস ও আত্মবিশ্বাস সঞ্চার করেছিল।
তিনি বলেন, শহীদদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত এই স্বাধীনতা আমাদের সর্বশ্রেষ্ঠ অর্জন। মুক্তিযোদ্ধাদের বীরত্ব ও আত্মত্যাগ জাতির ইতিহাসে চিরভাস্বর হয়ে থাকবে। ১৬ ডিসেম্বর জাতির আত্মমর্যাদার প্রতীক—যেদিন বাংলার দামাল সন্তানেরা রণাঙ্গনে অপ্রতিরোধ্য সাহসিকতা প্রদর্শন করে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীকে পরাজিত করেছিল।
দেশের ভবিষ্যৎ তরুণ সমাজের হাতে উল্লেখ করে ফেরদৌস বলেন, স্বাধীনতার চেতনাকে ধারণ করে সার্বভৌমত্ব রক্ষা, গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার, উন্নয়ন ও সুশাসন প্রতিষ্ঠায় তরুণদের দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে এগিয়ে আসতে হবে। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান যে শক্তিশালী, স্বনির্ভর ও আত্মমর্যাদাশীল আধুনিক রাষ্ট্রের স্বপ্ন দেখেছিলেন, তা বাস্তবায়নে ছাত্রসমাজকে অগ্রণী ভূমিকা নিতে হবে।
তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, বিজয়ের এই দিন জাতিকে নতুন করে ঐক্য, দায়িত্ববোধ ও ত্যাগের চেতনায় উজ্জীবিত করবে এবং স্বাধীন বাংলাদেশকে আরও সুখী, সমৃদ্ধ ও শক্তিশালী রাষ্ট্রে পরিণত করার
অনুপ্রেরণা জোগাবে।